শারীরিক সুস্থতায় অলিভ অয়েলের কার্যকারিতা

 শারীরিক সুস্থতায় অলিভ অয়েলের কার্যকারিতা 




জলপাই ফল থেকে তেল অলিভ অয়েল তেল হিসাবে পরিচিত।এই তেল খুব স্বচ্ছ অনেকটা গোল্ডেন কালার। ত্বক চুল সহ স্বাস্থ্যের জন্যও খুব উপকারী। স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিরা এই তেল রান্নার কাজে ব্যবহার করে থাকেন।


অলিভ অয়েলে প্রচুর অ্যান্টি- অক্সিডেন্ট রয়েছে।এতে রয়েছে ভিটামিন-ই ও রয়েছে ওমেগা - ৩, ওমেগা - ৬ নামক  ফ্যাটি এসিড। এই অ্যান্টি - অক্সিডেন্ট বহু দূরারোগ্য ব্যধি নিরসনে কার্যকরী।


নিম্নে অলিভ অয়েল ব্যবহারের উপকারিতা দেয়া হলো :


১/এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল খুবই উন্নত মান সম্পূর্ণ তেল। এতে খুব কম পরিমান অ্যাসিড থাকে বলে এটি শরীরের জন্য খুবই উপকারী।


২/ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও বলিরেখা দূর করতে অলিভ অয়েল খুবই উপকারী। এতে ব্রণও উপসম করা যায়। এতে বার্ধক্যের ছাপও দূর হয়ে যায়।


৩/ মুকের মেকাপ তুলতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করে মুখ থেকে মেকাপ ও ধুলাবালি একদম পরিস্কার ভাবে তুলে পেলা সম্ভব হয়। 


৪/ ঠোঁট ফাটা রোধেও অলিভ অয়েল খুবি উপকারী। অলিভ অয়েলের সাথে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে দিলে ঠোঁট একদম নরম তুলতুলে থাকে।


৫/ রক্ত জমাট বাঁধার কারনে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হবার সম্ভবনা থাকে। এতে স্ট্রোক হবার সম্ভবনা থাকে। অলিভ অয়েলে মনস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে যা মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।


৬/ অলিভ অয়েল দিয়ে তৈরি খাবারে অ্যান্টি - অক্সিডেন্টের ওরিমান বেশি থাকে। তাই এি তেল দিয়ে রান্না করা কাবার খেলে ওজন না কমলেও ওজন বাড়ে না। এতে হজম জনিত সমস্যাও দূর হয়।


৭/  ডায়বেটিস ও কলেস্টোরেল নিয়ন্ত্রণে এই তেল খুবই উপকারী। 


৮/ এই তেলে অ্যান্টি ক্যান্সারের বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ অ্যান্টি - অক্সিডেন্ট রয়েছে। এতে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি ঠেকানো যায়।


৯/ বয়স বাড়ার সাথে সাথে  রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসে অনেকেই ভুগে থাকেন।এই তেল জয়েন্টে ব্যাথা বেদনা জনিত এি রোগ উপসমে কার্যকরী।


১০/ এই তেল ব্যবহারে শরীরে ক্ষতিকর ব্যাকটিরিয়ার আক্রমন রোধ করে।


১১/ নিয়মিত এই তেল চুলে ব্যবহার করলে চুলের ঘনত্ব বাড়ে এবং হালজা গরম করে ব্যবহারের ফলে স্কাল্ভের রক্ত চলাচল বাড়ে। চুল হয়ে ুঠে স্বাস্থ্য সম্মত ও উজ্জ্বল। 


১২/গোসলের সময় ২/৩ চামচ অলিভ অয়েল পানিতে মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে গোসল করে তোয়ালে দিয়ে হালকা করে গা মুচে নেয়ার পর দেকবেন ত্বক উজ্জ্বল ও তুলতুলে হয়ে গিশেছে আদা করে ময়শ্চারাইজার বয়বহারের প্রয়োজন হয় না।


১৩/ সান বার্ণ দূর করতে অলিভ অয়েল বয়বহার করলে দ্রুত সমশে সান বার্ন দূর করা যায়। ২ চামচ অলিভ অয়েলের সাথে ল্যাভেন্ডার এসেনশিয়াল ওয়েল মিশিয়ে পোড়া জায়গায় বার বার ব্যবহার করলে পোড়া ভাব দূর হয়।


১৪/ অলিভ অয়েল চুলে লাগিয়ে এক রাত রেখে শ্যাম্পু করলে  আলাদা করে আর কন্ডিশনার বয়বহারের প্রয়োজন হয় না।এতে চুলের খুশকিও দূর হয়।


১৫/  ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে অলিভ অয়েল খুবই উপকারী। যাদের শীতে পা ফাটার প্রবনতা রয়েছে তারা গরম পানিতে শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে পা ধুয়ে পরিস্কার করে এই তেল মাখলে পা পাটার প্রবনতা কমে।


প্রাচীনকালে তরল সোনা হিসাবে খ্যাত অলিভ অয়েলের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর এর বহুবিধ উপকারীতার জন্য বর্তমানে এর ব্যবহারও বাড়ছে। যদি অন্যান্য তেলের তুলনায় এই তেলের দাম একটু বেশি হলেও শরীরের যত্নে ও শারীরিক সুস্থতায় এই তেল খুবই উপকারী। তবে বাজারে এই তেলের নকলও রয়েছে তাই দেকে শুনে যাচাই করেই অলিভ অয়েল কিনা ও ব্যবহার করা উচিত। সাধারণ মোটা রঙ্গিন বোতলে  অর্গ্যানিক অলিভ অয়েল সংরক্ষণ করা হয় তাই কেনার আগে এই বিষয়টি লক্ষ্য করা নেয়া উচিত।


No comments

Theme images by chuwy. Powered by Blogger.