অর্গানিক নারিকেল তেলের গুনাগুণ ও কার্যকারিতা

 অর্গানিক নারিকেল তেলের গুনাগুণ ও কার্যকারিতা


নারিকেল তেলের গুণাবলি কম বেশি আমাদের সকলেরই জানা। এই তেল শুধু চুলের যত্নেই ব্যবহৃত হয় না।  এটি ত্বকের যত্নেও সমান কার্যকর। কথাই আছে "তেলে চুল তাজা। "

তেলের গুনাগুন নিয়ে আলোচনার পূর্বে অর্গানিক নারিকেল তেল কি সেই বিষয়ে একটা ধারনা হওয়া প্রয়োজন।





অর্গানিক নারিকেল তেল- এই তেলে ফাইবার, লৌহ ফ্যাটি এসিড, খনিজ উপাদান ও বিভিন্ন রকম ভিটামিন রয়েছে যা আমাদের উন্নত স্বাস্থ্য গঠনের উপাদান সমৃদ্ধ। 

ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে যে তথ্য প্রচার করছেন তার তৃতীয় ধাপে তিনি বলেছেন,”প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে।” 

আর তারজন্য খাটি নারিকেল তেল কেমন হয় তার রং ও ঘ্রাণ কেমন হয় তা জানা প্রয়োজন।

ঘানিতে ভাঙ্গা নারিকেল তেলের রং সাধারণত সোনালি বর্ণের হয়। কোন রকম তাপ প্রয়োগ ছাড়া এটি তৈরি হয় বলে এতে কিছুটা পানি থাকে। তবে পানি থাকার কারণে এই তেল বেশিদিন সংরক্ষণ করে রাখা মুশকিল হয়ে যায়। তাই মাঝে রোদে দিয়ে সংরক্ষণ করলে অনেক দিন ব্যবহার যোগ্য থাকে।

কোন রকম ক্যামিকেলের প্রয়োগ ছাড়া তৈরি নারিকেল তেলের ঘ্রাণ নারিকেলের ঢ়ে ঘ্রাণ থাকে ঠিক তেমনটাই হয়। তবে দীর্ঘ দিন সংরক্ষণ করে রাখতে রাকতে ঘ্রাণের কিছু তারতম্য আসতে পারে।

রান্নায় নারিকেল তেলও ব্যবহার করা যেতে পারে। কারন আগেই বলেছি এটি স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। নারিকেল তেল হজমের সমস্যা দূর করে, যাদের অনিদ্রা জনিত সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য নারিকেল তেল খুবই উপকারী। কারন এটি অনিদ্রা দূর করে। এই তেলে পাকস্থলীর ইনফেকশন প্রতিরোধেও কার্যকরী ক্ষমতা রয়েছ।


নারিকেল শরীরের যেসকল উপকারে আসে সেগুলো হলো - 


১/ নারিকেল তেলে খুব ভালো মাত্রার স্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে। যা শরীরের অতিরিক্ত কোলস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।


২/ প্রতিদিনের খাওয়ার তালিকায় অল্প ওরুমান হলেও নারিকেল তেলে রাখা উচিত। কারন নারিকেল শরীরের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়।


৩/  দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস প্রতিরোধে খুবই কার্যকর।


৪/ প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় নারিকেল ১/২ চামচ খেলে শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট সহজেই কমানো যায়। 


৫/ নারিকেল তেলে ভিটামিন - ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা পোড়া দাগ ও বলিরেখা দূর করতে সহায়তা করে। 


শুধু মাত্র চুল ও ত্বকের জন্যই নারিকেল তেলের ব্যবহার হয় না। এটি দিয়ে অনেক সমস্যার সমাধান মিলে। নিম্নে সেগুলো দেয়া হলো -


১/ শরীরের বিভিন্ন জায়গার ব্যথা যেমন - বিভিন্ন জয়েন্টের ব্যথা, হাঁটু ব্যথায় গরম নারিকেল তেলের মালিশ খুবই কার্যকরী।


২/ নারিকেল তেলে যে অ্যাসিড রয়েছে তা শরীরে এনার্জি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিনের খাওয়ার তালিকায় নারিকেল রাখা উচিত। 


৩/ শরীরের কোন অংশ পুড়ে গেলে সাথে নারিকেল পোড়া জায়গায় লাগালে জ্বালাপোড়া কমে।  তাই পোড়া জায়গায় কিছুক্ষণ পর পর নারিকেল ব্যবহার করা উচিত।


৪/ ঘাম থেকে শরীরে দূর্গন্ধের সৃষ্টি হয়। তাই শরীরের যেখানে দূর্গন্ধ হয় সেখানে এই তেল লাগালে দূর্গন্ধ কমে।


৫/ ত্বককে  ময়েশ্চারাইজার করতে ও বলিরেখা দূর করতে নারিকেল তেলের তুলনাই হয় না।


মোট কথায়, নারিকেল তেল শুধু মাত্র চুলপর জন্যই নয় ত্বক ও শরীরের জন্য খুবই উপকারী। 


Meta: Organic coconut oil





No comments

Theme images by chuwy. Powered by Blogger.