সৌন্দর্য্য চর্চায় অ্যার্গানিক আমন্ড ওয়েলের কার্যকারীতা গুলো আমরা জানি কি?

 সৌন্দর্য্য চর্চায় অ্যার্গানিক আমন্ড ওয়েলের কার্যকারীতা গুলো আমরা জানি কি?



কাঠবাদাম দিয়ে তৈরি তেলই হলো আমন্ড অয়েল। এই তেল চুল ও ত্বকের যত্নে খুবই উপকারী। 

এই তেলে রয়েছে প্রচুর পরিমান ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন - এ, বি, ডি ও ই, প্রচুর পরিমান প্রোটিন, অ্যান্টি - অক্সিডেন্ট জিঙ্ক, পটাসিয়াম সহ বিভিন্ন রকমের উপাদান যা আমাদের চুল ও ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। এই তেলের কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না থাকায় ছোট বড় থেকে বয়স্ক মানুষ ও সব রকম স্কীন টাইপের মানুষ এই তেল ব্যবহার করতে পারে। যাদের স্কীন খুবই সেনসেটিভ সহজে কিছু ব্যবহার করতে পারেন না, যে কোন কিছুতেই অ্যালার্জির সমস্যা হবার সম্ভবনা থাকে তারাও নিশ্চিন্ত এই তেল চুলে ও ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন।


নিম্নে চুলে আমন্ড তেলে ব্যবহারের উপকারীতা দেয়া হলো :- 


★ চুলে নারিকেল তেলের সাথে আমন্ড ওয়েল মিশিয়ে লাগালে চুল সুন্দর ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল হয়।


★সপ্তাহে একদিন আমন্ড ওয়েল, কাষ্টার্ড ওয়েল ও অলিভ ওয়েল সমান পরিমান নিয়ে হালকা গরম করে স্ক্যাল্ভে লাগালে চুল হয় উজ্জ্বল ও দ্রুত লম্বা হয়।


★চুলের রুক্ষতা ও নিষ্প্রাণ ভাব দূর করতে আমন্ড ওয়েল খুবই কার্যকরী।


★আমন্ড ওয়েল চুলের খুশকি দূর করতে খুবই উপকারী। 


★চুলের গ্রোথ বাড়াতে আমন্ড ওয়েলের ভূমিকা খুবই কার্যকর।


★ অনেকেই চুল কালার করে থাকেন। ক্যামিকেল ব্যবহারের কারনে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। চুলের রুক্ষতা ও ডেমেইজ রিপায়ারে আমন্ড ওয়েল খুবই কার্যকরী।


★আমন্ড ওয়েল ব্যবহারে চুলের আগা ফাটা রোধ হয়।


মোট কথায়, চুলের পরিচর্চায় আমন্ড ওয়েল খুবই উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে।


এবার জেনে নেয়া যাক আমন্ড ওয়েল ত্বকের কতটুকু উপকারী। নিম্নে তা দেয়া হলো :-


★রুক্ষ ত্বকের যত্নে আমন্ড ওয়েল খুবই উপকারী।  এটি ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের কাজ করে।


★ চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দূর করতে এই তেল উপকারী।  প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে আমন্ড ওয়েল ডার্ক সার্কেলে লাগালে অল্প কিছু দিনের মধ্যেই ডার্ক সার্কেল দূর হয়। কনুই ও ঘাড়ের কাল দাগ দূর করতেও এই তেল ব্যবহার করা যেতে পারে।


★ এই তেলে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যার ফলে মুখে বয়সের ছাপ দূর করতে এবং বলিরেখা দূর করতেও এই তেল কার্যকরী।


★মুখের ব্রণের দাগ ও ব্ল্যাকহেডস দূর করতে স্ক্রাবিং করা হয়। আর এই স্ক্রাবার তৈরি করতে আমন্ড ওয়েলের সাথে সামান্য চিনি মিশিয়ে মুখে ম্যাসাজ জরে মুখ ধুয়ে ফেললে মিখের মরা কোষ ও মুখের ময়লা পরিস্কার হয়ে যায়।


★ সানবার্ন দূর করতেও এই তেল খুব উপকারী।


★ ঠোঁট ফাটা রোধে ও ঠোঁটকে নরম করতে আমন্ড ওয়েল ও মধুর মিশ্রণ অসাধারণ। 


★ আমন্ড ওয়েলে রয়েছে পটাশিয়াম ও জিঙ্ক। যা নখ শক্ত করে ও নক ভাঙ্গা দূর হয়।


★ হাত ও পায়কে ময়েশ্চারাইজিং করতে, স্মুথ ও নরম রাখতে এই তেল ব্যবহার করা হয়।


মোট কথায়, ত্বকের ভিতরে এই তেল পুষ্টির জোগান দেয় ফলে ত্বককে ভিতর থেকে প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল করে।বিশেষ করে যাদের ত্বক খুবই শুষ্ক।তাদের জন্য এই তেলের ব্যবহার আবশ্যক।




No comments

Theme images by chuwy. Powered by Blogger.