চুলের যত্নে পেয়ারা পাতার অবিস্মরণীয় ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত আছি কি?

 চুলের যত্নে পেয়ারা পাতার অবিস্মরণীয়  ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত আছি কি?




চুল পড়ার সমস্যা কম বেশি সবারই আছে। এমনকি ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েও এই চুল পড়ার সমস্যা দূর করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে পেয়ারার পাতা ব্যবহার  খুব সহজে ঘরোয়া পদ্ধতিতে করে  চুল পড়া রোধ ও নতুন গজানো সম্ভব ।


আসুন জেনে নেই পেয়ারা পাতার ব্যবহার কিভাবে চুল পরা ও টাক রোধে এবং  নতুন চুল গজাতে সহায়তা করে তা নিম্নে জেনে নেই।


পেয়ারা পাতায় কার্যকরী যে উপাদানগুলো রয়েছে তার মাঝে ভিটামিন - বি কমপ্লেক্স।  যা চুল পড়া বন্ধ করতে ও নতুন চুল গজাতে খুবই কার্যকর।


 বিজ্ঞানীরা  পেয়ারা পাতার উপর গবেষণা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছেন যে -


" পেঁয়ারা গাছের পাতার নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মাথার চুলের ঝরে পড়া রোধ হয় এবং চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এটি যা স্বাস্থ্যকর চুলের জন্য খুবই উপকারী।


পেঁয়ারার পাতা অবশ্যই মাথার চুল ঝরে পড়া রোধ করবে। সেইসঙ্গে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এটি চুলের সংযুক্তিস্থল অর্থাত্‍ গ্রন্থিকোষ ও শিকড়কে অনেক শক্ত করে।"


★★৬/৭ টা পেয়ারা পাতা  পানিতে সেদ্ধ করতে হবে। ২০ মিনিট পর পানি লালচে হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে পরিস্কার বোতলে সংরক্ষণ করতো হবে। এরপর প্রতিদিন রাতে মাথা চুলের গোরায় হেয়ার টনিকের মত  ব্যবহার করে ভালো করে ম্যাসেজ করতে হবে। তারপর পরের দিন সকালে গোসল করার সময় চুল ওানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। এরকম সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন করতে হবে। প্রতিদিন করতে পারলে বেশি ভালো হয়। কিছু দিমের মধ্যেই একটা ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে আশা করা যায়।


পরীক্ষামূলক হলেও পেয়ারা পাতা চুলে ব্যবহার করা যেতেই পারে। কারন চুলের যত্নে আমরা কত কিছু করি। যেহেতু এটি প্রকৃতিক উপাদান এতে ক্ষতি হবার সম্ভবনা নেই।


★পেয়ারা পাতা শুধুমাত্র চুল পড়া,রোধ করতে বা নতুন চুল গজাতেই ব্যবহার করা হয় না। এটি আমাদের শারীরিক সুস্থতায় বেশ কার্যকর। এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি তাই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে, ওজন কমাতে, পেটের সমস্যা দূর করতে, হজম শক্তি বৃদ্ধিতে, মুখের ঘাঁ সারাতে সহায়ক, কলেরা প্রতিরোধে সহায়ক, ডেঙ্গু জ্বর হলে রক্তের প্লাটিনাম কমে যায়। এই পাতা সেবন করলে ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াবহতা থেকেও রেহাই পাওয়া সম্ভব। প্রসটেড ক্যান্সার, ব্রেস্ট ক্যান্সার সহ নানা রকম ক্যান্সার থেকেও রেহায় পাওয়া সম্ভব এই পেয়ারা পাতা থেকে। পেয়ারা পাতায় উপস্থিত অন্টি ব্যাকটিরিয়াল উপাদান এলার্জির সমস্যা সমাধানেও সহায়ক এবং  কাটা ছেড়া থেকে যে কোন ইনফেকশান হওয়া থেকেও রক্ষা পাওয়া যায়। নানারকম ব্যথা বেদনা ও আথ্যাটিসের ব্যথা উপশমেও এটি কার্যকর।


★বেশি পেয়ারা পাতা খাওয়াও ক্ষতিকর। পেয়ারা পাতা রক্তাল্পতা, মাথাব্যথা এবং কিডনির সমস্যা তৈরি করতে পারে।


কিন্তু পেয়ারা পাতা চুলের জন্য উপকারী। এটি অতি প্রচীনকাল থেকেই চুলপর যত্নে ও টাক উপশমে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।






No comments

Theme images by chuwy. Powered by Blogger.